মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী
হৃদয়টাতে কষ্ট জমতে জমতে এক বিশাল পাথরে জমাট বেঁধেছে—
কেন বা বাঁধবে না!
যে হৃদয়টা একসময় একজনকে আপন করে দিয়েছি,
সে আমার ভেতরটাকে বিষাক্ত তীর মেরে জখম করেছে।
তখন শরীরের রক্তকণাগুলোও যেন বেইমানি করে,
এই ক্ষত হৃদয়টা যেন খোঁজে শুধু একটু ভালোবাসার পরশ।
তাই তন্ন তন্ন করে খুঁজতে থাকে
আকাশে, মাটিতে, নদী-সমুদ্রের গহিনে।
কিছুই খুঁজে পায় না যখন,
হতাশ হয়ে দুচোখ ভরে অশ্রু ঝরায় তখন।
খুঁজতে থাকে একটু ভালোবাসার পরশ—
পায় না কিছুই, হৃদয়ে ঝরতে থাকে রক্তের স্রোত।
একটু খানি আদর করে
কোনো অদৃশ্য ভালোবাসা এসে
আবেশে স্পর্শ করে তখন অনুভবে।
পাথরগুলো একটু হলেও ভাঙতে থাকে তখন,
আঁকড়ে থাকে এক অদৃশ্য ছায়া,
ভালবাসতে থাকে অনুভবে।
এভাবে একটা হৃদয় বাঁচতে পারে কতক্ষণ?
ধীরে ধীরে হৃদয়স্পন্দন নিজের হাতে তুলে নেয়।
কেন বা এমন হয় জানি না!
স্বপ্ন আমার হারিয়ে গেছে মন কাননে।
কোন ঠিকানায় খুঁজবো তাকে? কোন সে ছদ্মবেশে?
অভিমানের বৃষ্টি জমেছে মেঘ পিয়নের বুকে।
ঠোঁটের ভেতর উদাস বাতাস নিঃস্ব হাওয়ার শোকে।
ইচ্ছাগুলো থমকে দাঁড়ায়, বালিশ ভেজা চোখে।
রংধনু আজ রং হারিয়ে ছুটছে নিরুদ্দেশে—
আমার হৃদয় স্তব্ধ আজ,
তোমায় ভালোবাসি।